Skip to main content

মহিলাদের ‌বাড়িতে বসে ব্যাবসা

মহিলারা‌ বাড়িতে বসে ,কম টাকা ইনভেস্ট করে,‌
লাভ জনক ব্যাবসা নিয়ে আমি বেশ কয়েকটি আইদিয়া 
আপনাদের সাথে শেয়ার করবো।

                     আজ পর্ব ১
                রান্নার বড়ির ব্যাবসা
 বিভিন্ন শাক -- সবজির তরকারি রান্নায় বিউরি, মুসুর , খেসারি কড়াইয়ের বড়ির ব্যাবহার
দীর্ঘ দিন ধরে হয়ে আসছে।
এই রান্নার বড়ির ব্যাবসা আপনি ‌শুরু করতে ‌পারেন।
এই ব্যবসায়‌ একদম লোকসান নেই।
ব্যাবসাটি করতে গেলে মাএ( ১০০০) এক‌ হাজার টাকা থেকে (২০০০) দুই হাজার টাকা -------
 পুঁজি নিয়ে ভালো ভাবে এই ব্যাবসাটি শুরু করা যায়।
এই ব্যাবসা টি বার মাস চলবে 
বাজারে এই তরকারি তে দেওয়া বড়ির চাহিদা রয়েছে প্রচুর।
তাই এই বড়ি বিক্রি করতে আপনাকে দূরে কোথাও যেতে হবেনা।
আপনার বাড়ির সামনের মুদিখানার দোকানে এই বড়ি দিয়ে
আপনি ‌শেষ করতে পারবেন‌ না।
একটু পরিচিত হলেই দোকানদার আপনার বাড়ি থেকে 
বড়ি নিয়ে চলে যাবে।
এই ব্যবসা করতে হলে আপনার যে‌ জিনিস গুলির আপনার প্রয়োজন হয় 👇
 ‌              ১ 🔴 মিক্সচার গাইন্ডার

               ২ 🔴 বিভিন্ন ধরনের ‌কড়াই/ কলাই
                        যেমন বিউরি ডাল, মুসুর ডাল,  খেসারি                      ‌‌          ডাল ইত্যাদি ।
               ৩ 🔴 পাইপিন ব্যাগ অথবা প্লাস্টিক পিপি / বড়ি
                         দেওয়ার জন্য নজেল।
এই নজেল‌ সোনা -- রুপার দোকানে আপনি কিনতে পারবেন
অথবা কলগেট মাজনের ‌মুখ কেটে আপনি ‌নিজে তৈরী করে নিতে পারেন।
               ৪ 🔴 নাইলোনের মশাড়ি /নাইলোন মশাড়ির নেট
               ৫ 🔴 বিভিন্ন ধরনের মশলা
              ‌        যেমন লবন , শুঁকনো লঙ্কা, গোটা সাদা জিরে                          সরিষার তেল ইত্যাদি।
                ৬ 🔴 ১০০,২০০ গ্রামের বাড়ি ধরবে এরকম ‌                                  প্লাসটিক‌ পিপি।

                      কিভাবে বড়ি তৈরি করবেন 
           বড়ি তৈরি করতে প্রায় মা/ জেঠি মা / কাকীমা /বোন           / বউদিমনিরা‌ কম -- বেশি জানেন।
      ‌     তাই আর এই বিষয়ে বিশেষ কিছু আলোচনা করলাম           ‌ না।
এর পর বড়ি গুলো ৪ থেকে ৫ দিন রৌদ্রে ভালো করে শুকিয়ে নিয়ে , ১০০গ্রাম,২০০গ্রাম ওজন করে প্লাস্টিক পিপিতে ভরে‌ বাজারের মুদিখানার দোকানে বিক্রি করুন।
সর্বদা মনে রাখবেন যে হতু এই বড়ি মানুষ -জন খাবেন
তাই পরিস্কার হাতে, পরিচ্ছন্ন ভাবে তৈরি করবেন।
আর মনে রাখবেন ভালো মানের কলাই , ভালো মানের মশলা
ব্যাবহার করবেন।
মনে রাখবেন আপনার তৈরি বড়ির কোয়ালিটি যদি ভালো করতে পারেন, তাহলে মাএ( ২০০০ ) দুই হাজার টাকা ইনভেস্ট করে, বাড়িতে বসে অল্প কয়েক দিনের মধ্যেই ‌আপনার এই
ক্ষুদ্র ব্যবসা টি বড়ো হয়ে উঠবে।
আর আপনি খুব তাড়াতাড়ি সাফল্যের মুখ দেখবেন।
---------------------------------------------------------------------------
ভালো থাকুন ,সুস্থ থাকুন
আমার এই স্মল বিজনেস আইডিয়া টি আপনাদের কেমন লেগেছে আমাকে কমেন্ট করে জানাবেন।
আমার ই-মেইল 👇
mondal1100mondal@gmail.com
আপনাদের মূল্যবান মতামত এর আশায় রইলাম।
আমি আমার এই ব্লগে প্রতি রবিবার বেশ কয়েকটি পর্বে
কম টাকা ইনভেস্ট করে, মহিলাদের ‌বাড়িতে বসে ব্যাবসা নিয়ে‌ লিখবো।
পড়তে চাইলে লগ অন করুন 👇
👉 https://allsamir.blogpost.com
                    ইতি সমীর✍️
🌹🌹🌹🌹🌹🌹🌹🌹🌹🌹🌹🌹🌹🌹🌹🌹🌹🌹


  ্্্্্্্্্্্্্্্্্্্্্্্্্্্্্্্্্্্্্্্্্্্্্্্্্্্্্্্্্্্্্্্্

  ‌ ‌ 






Comments

Samirblogpost.com

" জীবন যুদ্ধে হার না মানা এক মেয়ের কথা "

জন্ম হয়েছিল তার এক অতি গরীব দিন আনে দিন খায় পরিপারে। বাবা লোকের জমিতে দিন মজুরের কাজ করে। তাই ছোট থেকে ভালো খাওয়া, ভালো জামা-কাপড় পড়া, ভালো কোন সখ-আহ্লাদ,কোন কিছুই ভালো পাইনি সে। তবে এতকিছু ভালো না পাওয়ার পরেও লেখা-পড়ায় ভালো ছিল সে।  কিন্তু গরিব বাবা তার পড়াশোনার খরচ চালাবে কি করে ? তাই মাধ্যমিক পরীক্ষার পর বিয়ে দিয়ে দিল তার। মেয়েটি ভেবেছিলো বাপের বাড়ীতে তার যা কিছু না-পাওয়া গুলো হয়তো সে তার শ্বশুড় বাড়িতে পেয়ে যাবে। কিন্তু বিধি বাম-------- বিয়ে হলো তার সেই দিন-আনে,দিন-খায় এরকম এক ছেলের সাথে। শুরু হলো তার এক নতুন জীবন কন্যা থেকে বধু , কুমারী জীবন থেকে বিবাহিত‌ জীবন । এরপর সময়ের নিয়মে তার সংসারে আলো‌ করে এলো এক নতুন অতিথি ফুলের মতো এক ফুট-ফুটে মেয়ে তার কন্যা সন্তান। জীবনে এই প্রথম না পাওয়ার  ব্যথা-যন্ত্রণা সব ভুলিয়ে দিল এক অনাবিল সুখ ও আনন্দ তাহলো মাতৃত্বের । কন্যা থেকে বধু  , জায়া থেকে মাতা , পরিপূন্য হলো জীবনের একটি বৃত্ত। এই ছোট্ট কন্যাকে নিয়ে ‌‌‌‌‌‌‌ছোট্ট - ছোট্ট সব সনালী স্বপ্নের জাল বুনতো শুরু করলো সে। কিন্তু নিয়তি ন্যঃ বাধ্যতে ------- এমন ...

* বাস্তব *

আজকের গল্প-----* বাস্তব *       রচনা---------সমীর ✍️ আমাদের পাশের গ্রামেই , প্রিয়ব্রত দের বাড়ি----- আমি আর প্রিয়ব্রত ছোটবেলা থেকে একসাথে লেখাপড়া করেছি। আমার মাথা মোটা তাই , লেখাপড়া বেশি দূর করতে পারিনি। টেনেটুনে কোনরকমে উচ্চ মাধ্যমিকটা পার হয়েছিলাম। প্রিয়ব্রতর  মাথা সরু , তাই শুরু থেকেই লেখাপড়ায় ও খুব ভালো ছিল। মাধ্যমিকে তিনটে লেটারসহ স্টার পেয়েছিল। ওদের বাড়ির অবস্থা খুব ভালো ছিল না। তাই মাধ্যমিকের পরেই। ওর বাবা প্রিয়ব্রতর পড়াশোনা বন্ধ করে দিতে চেয়েছিল। প্রিয়ব্রতর  পড়াশোনা বন্ধ হয়েই যেত----- যদি না সেই সময়ে কয়েকজন শিক্ষক মহাশয় ,ও পাড়ার কিছু সহৃদয় ব্যক্তি , সাহায্যের হাত না বাড়িয়ে দিতেন। এভাবেই প্রিয়ব্রত কোনরকমে , উচ্চমাধ্যমিকের লেখাপড়াটা চালিয়ে গিয়েছিল। এবং বলা বাহুল্য  , উচ্চমাধ্যমিকে সে খুব ভালো নাম্বার নিয়ে সে প্রথম বিভাগে উত্তীর্ণ হয়েছিল। কিন্তু এবার কলেজের পড়াশোনা , কিভাবে চালাবে সে---- তাই সে ঠিক করল। সকাল সন্ধ্যা টিউশনি পরিয়ে , সে তার কলেজের লেখাপড়ার খরচ চালাবে। সেই মতো সে  তার পড়াশোনার পাশাপাশি...

স্মল বিজনেস আইডিয়া পর্ব-১

স্মল বিজনেস আইডিয়া পর্ব-১ মাএ ৩০০০.০০(তিন) হাজার 💰 টাকা পুঁজি নিয়ে ঝুঁকি বিহীন লাভজনক একটি ব্যবসা। নিজের মনে আত্ম বিশ্বাস আর প্ররিশ্রম করার মানসিকতা থাকলে। মাএ তিন হাজার 💰 টাকা পুঁজি নিয়ে আপনি শুরু করতে পারেন। ঝুঁকি বিহীন লাভজনক একটি নিজের স্বাধীন ব্যবসা। *ব্যবসাটি হলো ঔষধ দেওয়া খামের ব্যবসা* আপনারা যখন মেডিক্যাল সপ বা ঔষধের দোকানে  ওষুধ কেনেন তখন দেখে থাকবেন ঔষধ দোকানদার আপনাকে( ট্যাবলেট বা ক্যাপসুল) ওষুধ একটি সাদা কাগজের ঠোঙ্গা বা খামে ভরে সেই ট্যাবলেট বা ক্যাপসুল ওষুধ আপনার হাতে ধরিয়ে দেন। আজকের বিজনেস আইডিয়াটি হলো এই ওষুধ দেওয়া খামের ব্যবসা। এই ওষুধ দেওয়া খামের ব্যবসাটি আপনি দুই ভাবে করতে পারেন। ১। এই ওষুধ দেওয়া খাম পাইকারি বাজার থেকে কিনে। ২। এই ওষুধ দেওয়া খাম নিজে বাড়িতে বসে তৈরী করে। যদি আপনি পাইকারি বাজার থেকে এই খাম কিনে ব্যবসা করতে করতে👇  তাহলে কলকাতা বড়বাজার অঞ্চলে ওল্ড চিনে বাজারে এই খাম গুলি পাইকারি দামে কিনতে পারবেন। ওল্ড চিনেবাজার হলো কলকাতা বড়বাজার অঞ্চলে ট্রিপল পট্টির ঠিক উল্টো দিকে। কলকাতা বড়বাজারে ট্রিপলপট্টি গিয়ে কাউকে জিজ্ঞেস করলে আপনাকে ...