Skip to main content

* অর্ধেক জীবন *

             *অর্ধেক জীবন*
             চতুর্থ পর্বের পর
              পঙ্চম  পর্ব 
পুনশ্চঃ ---- সংসার সুখি হয় রমনীর গুনে
এই কথাটা সত্যি হয়েছে আামার জীবনে 
অনু মানে আমার স্ত্রী , আমাদের ১৯ বছরের 
বিবাহিত জীবন, একই ছাদের  নিচে আমরা
 স্বামী -স্ত্রী একসাথে আছি, একসাথেই  থাকি। 
অনেক সুখ- দুঃখের সাক্ষী আামরা,
জানতে  ইচ্ছে করছে নিশ্চয়, আমাদের  বিবাহিত
সম্পর্ক নিয়ে -------?
আসলে  পরের  সংসারের,  হাঁড়ির  খবর জানতে 
আমাদের  সবার খুব ভালো লাগে।
আবার সেই  খবরটা  যদি  রসালো হয়তো ----
বেশ জমে যায়, যাকে বলে  জমে একেবারে ক্ষীর -
তবে আমাদের  এই দাম্পত্য জীবনের  কাহিনি 
আপনাদের  ভালো লাকবে কিনা জানি না----।
তবে পরের  কেচ্ছা চিরকাল  শুনতে ও অপর কে
শুনাতে ভালো লাগে।
আসলে ব্যাপারটা নুন, টক,ঝাল,মিষ্টি, একেবারে
ককটেল এর মতো  মুখ রোচক হয়তো ----
তাই  পরে কেচ্ছা চিরকাল শুনতে ও রসিয়ে - বসিয়ে শুনাতে  বেশ ভালো লাকে------।
শুনুন তবে ,  যেহেতু  আমি আমার নিজের জীবন কাহিনী  লিখছি  তাই --------
 আমার  প্রিয় পাঠক আপনাদের,  আমি মিথ্যা করে  বলতে বা কিছু লুকিয়ে  রাখতে  পারবো না। যা কিছু সত্য  আমি নির্দিধায় --------
একেবারে রাখ-ঢাক না রেখে, খোলা - খুলি বলছি---আমাদের  এই ১৯ বছরের  দাম্পত্য 
একে ওপরের  সাথে  সম্পর্ক
আদায়- কাঁচকলায়,  সাপে - নেয়ুলের, 
ওহি - নকুলের মতো।
একজন যদি হই বন্দুক,  তবে অপর জন গুলি,
সকাল থেকে  রাতে ঘুমাতে যাওয়ার  আগে 
 পর্যন্ত আমরা একে ওপরের সাথে ঝকরা করি, কখনো কখনো একে ওপরের সাথে  মারা- মারি
পর্যন্ত হয়ে যায়।
আমদের এই রকম রাতদিন  চিতকার - চেচামেঁচি 
দেখে আমদের ছোট মেয়েটা , প্রথম-প্রথম খুব ভয় পেলেও------
এখন আর ও ভয় পায়না, এখন বরং ও আমাদের 
এই সব দেখে  হততালি দেয়, বেশ জমিয়ে  এনজয়
করে। তাই আমাদের  মেয়ে,  আমদের  সংসারের
নাম দিয়েছে  সুর ও ঝক্ঙার-------
তবুও আমরা স্বামী-  স্ত্রী একে ওপরের  প্রতি, 
১০০% বিশ্বাস, একে ওপরের প্রতি  নিবিড়, সুগভীর (১০০%  লাভ)ভালোবাসা আছে।
দুজন-  দুজনাকে ঘিরে যত আশা,ওকে ওপর কে
ঘিরে যত আকাক্ষা,----
 আর আমাদের  মেয়ে কে ঘিরে 
আমাদের  দুজনের  যত স্বপ্ন- আশা।
এই আমি ও আমার  স্ত্রী দুজনে জীবন সাগরে
সংসার  তরনীর বৈঠা বেয়ে চলেছি------
যদিও সেই  সংসার  তরনী দুঃখের চরে, 
 বারে-বারে , ধাক্কা খেয়ে   ফুটো হয়েছে  অনেক  জায়গায়------
ভাগ্যের দমকা দক্ষিনা ঝড়ে , 
সংসার  নৌকাখানির
পাল ছিঁড়ে গেছে  বহু জায়গায়-------
নিয়তির  নিষ্টুর কঠিন  আঘাতে  ভেঙে গেছে 
সংসার তরনীর হাল-------
তবু হাল - ভঙা, পাল - ছেঁড়া, ফুটো সংসার নৌকা খানি আজও বেয়ে চলেছি, সুখের -সোনালী,
দ্বীপের উদ্দেশ্য ----------- 
এক টুকরো  সুখের  সন্ধানে, 
সংসার তরনী খানি সেইদিন  ডুবে  যেত--------
যেদিন -----,
  সময়ে কঠিন ঘুর্নি পাকে জীবনের  মাঝ দড়িয়ায়, সংসার তরনী  যখন এই ডুবু - ডুবু, 
ঠিক  তখন,  আমার স্ত্রী সেই সময় ওর সমস্ত   
শক্তি এক করে নিজের  শক্ত হাতে,
  হালটা যদি না ধরতো--------
 ক্রমশ চলবে -------------
এরপর পরের  পর্বে  
ষষ্ঠ  পর্বে-----------------------
-------------------------------------------------------------------
ভালো থাকুন , সুস্থ  থাকুন 
প্রিয় পাঠক  আমি আমার  ব্লগে 
আমার  নিজের জীবন কাহিনী  * অর্ধেক জীবন *
নামে বেশ কয়েক টি ধারাবাহিক  ভাবে কয়েক টি পর্বে  লিখেছি--------,
 আমার  সেই লেখা আপনারা  পড়তে  চাইলে 
লকঅন করুন 👇
👉https://allsamir.blogpost.com
আমার লেখা  পড়ে আপনাের কেমন লাগছে 
তা কমেন্ট বক্সে  কমেন্ট করে জানাবেন। 
আপনাদের  মূল্যবান মতামতের আশায়  রইলাম --
ইতি আপনাদের বন্ধু  সমীর✍️
            নমস্কার 🙏
-------------------------------------------------------------------



 

Comments

Samirblogpost.com

" জীবন যুদ্ধে হার না মানা এক মেয়ের কথা "

জন্ম হয়েছিল তার এক অতি গরীব দিন আনে দিন খায় পরিপারে। বাবা লোকের জমিতে দিন মজুরের কাজ করে। তাই ছোট থেকে ভালো খাওয়া, ভালো জামা-কাপড় পড়া, ভালো কোন সখ-আহ্লাদ,কোন কিছুই ভালো পাইনি সে। তবে এতকিছু ভালো না পাওয়ার পরেও লেখা-পড়ায় ভালো ছিল সে।  কিন্তু গরিব বাবা তার পড়াশোনার খরচ চালাবে কি করে ? তাই মাধ্যমিক পরীক্ষার পর বিয়ে দিয়ে দিল তার। মেয়েটি ভেবেছিলো বাপের বাড়ীতে তার যা কিছু না-পাওয়া গুলো হয়তো সে তার শ্বশুড় বাড়িতে পেয়ে যাবে। কিন্তু বিধি বাম-------- বিয়ে হলো তার সেই দিন-আনে,দিন-খায় এরকম এক ছেলের সাথে। শুরু হলো তার এক নতুন জীবন কন্যা থেকে বধু , কুমারী জীবন থেকে বিবাহিত‌ জীবন । এরপর সময়ের নিয়মে তার সংসারে আলো‌ করে এলো এক নতুন অতিথি ফুলের মতো এক ফুট-ফুটে মেয়ে তার কন্যা সন্তান। জীবনে এই প্রথম না পাওয়ার  ব্যথা-যন্ত্রণা সব ভুলিয়ে দিল এক অনাবিল সুখ ও আনন্দ তাহলো মাতৃত্বের । কন্যা থেকে বধু  , জায়া থেকে মাতা , পরিপূন্য হলো জীবনের একটি বৃত্ত। এই ছোট্ট কন্যাকে নিয়ে ‌‌‌‌‌‌‌ছোট্ট - ছোট্ট সব সনালী স্বপ্নের জাল বুনতো শুরু করলো সে। কিন্তু নিয়তি ন্যঃ বাধ্যতে ------- এমন ...

* বাস্তব *

আজকের গল্প-----* বাস্তব *       রচনা---------সমীর ✍️ আমাদের পাশের গ্রামেই , প্রিয়ব্রত দের বাড়ি----- আমি আর প্রিয়ব্রত ছোটবেলা থেকে একসাথে লেখাপড়া করেছি। আমার মাথা মোটা তাই , লেখাপড়া বেশি দূর করতে পারিনি। টেনেটুনে কোনরকমে উচ্চ মাধ্যমিকটা পার হয়েছিলাম। প্রিয়ব্রতর  মাথা সরু , তাই শুরু থেকেই লেখাপড়ায় ও খুব ভালো ছিল। মাধ্যমিকে তিনটে লেটারসহ স্টার পেয়েছিল। ওদের বাড়ির অবস্থা খুব ভালো ছিল না। তাই মাধ্যমিকের পরেই। ওর বাবা প্রিয়ব্রতর পড়াশোনা বন্ধ করে দিতে চেয়েছিল। প্রিয়ব্রতর  পড়াশোনা বন্ধ হয়েই যেত----- যদি না সেই সময়ে কয়েকজন শিক্ষক মহাশয় ,ও পাড়ার কিছু সহৃদয় ব্যক্তি , সাহায্যের হাত না বাড়িয়ে দিতেন। এভাবেই প্রিয়ব্রত কোনরকমে , উচ্চমাধ্যমিকের লেখাপড়াটা চালিয়ে গিয়েছিল। এবং বলা বাহুল্য  , উচ্চমাধ্যমিকে সে খুব ভালো নাম্বার নিয়ে সে প্রথম বিভাগে উত্তীর্ণ হয়েছিল। কিন্তু এবার কলেজের পড়াশোনা , কিভাবে চালাবে সে---- তাই সে ঠিক করল। সকাল সন্ধ্যা টিউশনি পরিয়ে , সে তার কলেজের লেখাপড়ার খরচ চালাবে। সেই মতো সে  তার পড়াশোনার পাশাপাশি...

স্মল বিজনেস আইডিয়া পর্ব-১

স্মল বিজনেস আইডিয়া পর্ব-১ মাএ ৩০০০.০০(তিন) হাজার 💰 টাকা পুঁজি নিয়ে ঝুঁকি বিহীন লাভজনক একটি ব্যবসা। নিজের মনে আত্ম বিশ্বাস আর প্ররিশ্রম করার মানসিকতা থাকলে। মাএ তিন হাজার 💰 টাকা পুঁজি নিয়ে আপনি শুরু করতে পারেন। ঝুঁকি বিহীন লাভজনক একটি নিজের স্বাধীন ব্যবসা। *ব্যবসাটি হলো ঔষধ দেওয়া খামের ব্যবসা* আপনারা যখন মেডিক্যাল সপ বা ঔষধের দোকানে  ওষুধ কেনেন তখন দেখে থাকবেন ঔষধ দোকানদার আপনাকে( ট্যাবলেট বা ক্যাপসুল) ওষুধ একটি সাদা কাগজের ঠোঙ্গা বা খামে ভরে সেই ট্যাবলেট বা ক্যাপসুল ওষুধ আপনার হাতে ধরিয়ে দেন। আজকের বিজনেস আইডিয়াটি হলো এই ওষুধ দেওয়া খামের ব্যবসা। এই ওষুধ দেওয়া খামের ব্যবসাটি আপনি দুই ভাবে করতে পারেন। ১। এই ওষুধ দেওয়া খাম পাইকারি বাজার থেকে কিনে। ২। এই ওষুধ দেওয়া খাম নিজে বাড়িতে বসে তৈরী করে। যদি আপনি পাইকারি বাজার থেকে এই খাম কিনে ব্যবসা করতে করতে👇  তাহলে কলকাতা বড়বাজার অঞ্চলে ওল্ড চিনে বাজারে এই খাম গুলি পাইকারি দামে কিনতে পারবেন। ওল্ড চিনেবাজার হলো কলকাতা বড়বাজার অঞ্চলে ট্রিপল পট্টির ঠিক উল্টো দিকে। কলকাতা বড়বাজারে ট্রিপলপট্টি গিয়ে কাউকে জিজ্ঞেস করলে আপনাকে ...