Skip to main content

সেদিন আসবেই আসবে

আপনি  জানেন যে যখন কোন সরকারী চাকুরীর কর্মী নিয়োগ এর বিঙপ্তি প্রকাশ করা হয় ।  তখন সেই বিঙপ্তিতে
পরিস্কার করে উল্লেখ থাকে যে উক্ত পদের বেতন ক্রম অর্থাৎ মাসিক বেতন কত ।
আর সেই বিঙপ্তি আপনি ভালো করে দেখে -- বুঝে উক্ত ফর্ম
ফিলাপ করলেন । এরপর নির্দিষ্ট দিনে নির্দিষ্ট সময়ে আপনি পরীক্ষা দিলেন ।আপনি সেই পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হলেন।
এবং চাকরিতে যোগ দিলেন ।
তারপর কয়েক মাস না যেতে যেতেই ইউনিয়নের সদস্য ও হলেন এবং আন্দোলন করতে রাস্তায় নেমে পড়লেন বেতন বৃদ্ধি করতে হবে ।কি --র-- তে-- হ-- বে-------
কিন্তু কেন এই আন্দোলন ?
আপনি তো কত বেতন পাবেন যা চাকুরীতে যোগদানের আগে জানতেন । উক্ত পদের জন্য আপনাকে কত মাসিক বেতন দেওয়া হবে।
আপনেকে তো তার চেয়ে কম বেতন দেওয়া হচ্ছে না ?
তাহলে এখন কেন বলেছেন বেতন বৃদ্ধি করতে হবে ।
জানি আপনি  বলবেন এটা আমার অধিকার ।
যদি এবার আপনাকে আমি প্রশ্ন করি ।
কিসের অধিকার ? 
আজ যারা এদেশের অসংখ্য শিক্ষিত বেকার আছেন
যাদের অনেক আগেই চাকরি পাওয়ার উচিত ছিল ।
যে কোন কারনেই হোক তারা এখন চাকরি পাইনি ।
সেই অসংখ্য বেকার শিক্ষিতদের ও তো অধিকার আছে
রাস্তায় নেমে বলার ।  যে শিক্ষিত বেকারদের জন্য কর্ম পদ
তৈরি করতে হবে । না হলে সরকারী চাকুরী জীবিদের
বেতন বৃদ্ধি করা চলবে না। সরকারি চাকুরি জিবীদের
বেতন বৃদ্ধি মানছি না মানবো ।
জানি বলবেন শিক্ষিত বেকার যারা তারা আন্দোলন করুক না ।
কে বারন করেছে ।
কিংবা বলতে পারেন কত আন্দোলন দেখলাম।
কিন্তু আপনি একটু  , শুধু একটু ভেবে বলুন‌ তো ---
সত্যি  - সত্যি যদি কোন এক দিন , সেই দিন আসে ?
বাপ্যারটা কি হতে পারে ।
জানি বলবেন আরে বাবা সেদিন আসুক না ।
তারপর না হয় , কি হয় দেখা যাবে ।
আপনি মানুন আর নাই মানুন
সেদিন আসবেই ,আসবে ---
আজ না হোক , কাল না হোক 
সেদিন কিন্তু আসবেই আসবে
যেদিন এদেশের অসংখ্য শিক্ষিত বেকার
এক জোট হয়ে এক সাথে , এক সুরে
পথে নেমে আমরন আন্দোলন করবে
দৃঢ় চিত্তে , উচ্চ কন্ঠে  ,আওয়াজ তুলবে
শিক্ষিত বেকারদের ‌‌‌‌‌জন্য কর্ম পদ সৃষ্টি করতে হবে  , না হলে সরকারী চাকুরী জীবিদের বেতন বৃদ্ধি আর করা চলবে না।
আপনি বিস্বাস করূন বা নাই করুন ।
সেদিন কিন্তু আসবেই আসবে , সেদিন আসবেই আসবে ।
----------------------------------------------------------------------------

Comments

Samirblogpost.com

" জীবন যুদ্ধে হার না মানা এক মেয়ের কথা "

জন্ম হয়েছিল তার এক অতি গরীব দিন আনে দিন খায় পরিপারে। বাবা লোকের জমিতে দিন মজুরের কাজ করে। তাই ছোট থেকে ভালো খাওয়া, ভালো জামা-কাপড় পড়া, ভালো কোন সখ-আহ্লাদ,কোন কিছুই ভালো পাইনি সে। তবে এতকিছু ভালো না পাওয়ার পরেও লেখা-পড়ায় ভালো ছিল সে।  কিন্তু গরিব বাবা তার পড়াশোনার খরচ চালাবে কি করে ? তাই মাধ্যমিক পরীক্ষার পর বিয়ে দিয়ে দিল তার। মেয়েটি ভেবেছিলো বাপের বাড়ীতে তার যা কিছু না-পাওয়া গুলো হয়তো সে তার শ্বশুড় বাড়িতে পেয়ে যাবে। কিন্তু বিধি বাম-------- বিয়ে হলো তার সেই দিন-আনে,দিন-খায় এরকম এক ছেলের সাথে। শুরু হলো তার এক নতুন জীবন কন্যা থেকে বধু , কুমারী জীবন থেকে বিবাহিত‌ জীবন । এরপর সময়ের নিয়মে তার সংসারে আলো‌ করে এলো এক নতুন অতিথি ফুলের মতো এক ফুট-ফুটে মেয়ে তার কন্যা সন্তান। জীবনে এই প্রথম না পাওয়ার  ব্যথা-যন্ত্রণা সব ভুলিয়ে দিল এক অনাবিল সুখ ও আনন্দ তাহলো মাতৃত্বের । কন্যা থেকে বধু  , জায়া থেকে মাতা , পরিপূন্য হলো জীবনের একটি বৃত্ত। এই ছোট্ট কন্যাকে নিয়ে ‌‌‌‌‌‌‌ছোট্ট - ছোট্ট সব সনালী স্বপ্নের জাল বুনতো শুরু করলো সে। কিন্তু নিয়তি ন্যঃ বাধ্যতে ------- এমন ...

* বাস্তব *

আজকের গল্প-----* বাস্তব *       রচনা---------সমীর ✍️ আমাদের পাশের গ্রামেই , প্রিয়ব্রত দের বাড়ি----- আমি আর প্রিয়ব্রত ছোটবেলা থেকে একসাথে লেখাপড়া করেছি। আমার মাথা মোটা তাই , লেখাপড়া বেশি দূর করতে পারিনি। টেনেটুনে কোনরকমে উচ্চ মাধ্যমিকটা পার হয়েছিলাম। প্রিয়ব্রতর  মাথা সরু , তাই শুরু থেকেই লেখাপড়ায় ও খুব ভালো ছিল। মাধ্যমিকে তিনটে লেটারসহ স্টার পেয়েছিল। ওদের বাড়ির অবস্থা খুব ভালো ছিল না। তাই মাধ্যমিকের পরেই। ওর বাবা প্রিয়ব্রতর পড়াশোনা বন্ধ করে দিতে চেয়েছিল। প্রিয়ব্রতর  পড়াশোনা বন্ধ হয়েই যেত----- যদি না সেই সময়ে কয়েকজন শিক্ষক মহাশয় ,ও পাড়ার কিছু সহৃদয় ব্যক্তি , সাহায্যের হাত না বাড়িয়ে দিতেন। এভাবেই প্রিয়ব্রত কোনরকমে , উচ্চমাধ্যমিকের লেখাপড়াটা চালিয়ে গিয়েছিল। এবং বলা বাহুল্য  , উচ্চমাধ্যমিকে সে খুব ভালো নাম্বার নিয়ে সে প্রথম বিভাগে উত্তীর্ণ হয়েছিল। কিন্তু এবার কলেজের পড়াশোনা , কিভাবে চালাবে সে---- তাই সে ঠিক করল। সকাল সন্ধ্যা টিউশনি পরিয়ে , সে তার কলেজের লেখাপড়ার খরচ চালাবে। সেই মতো সে  তার পড়াশোনার পাশাপাশি...

স্মল বিজনেস আইডিয়া পর্ব-১

স্মল বিজনেস আইডিয়া পর্ব-১ মাএ ৩০০০.০০(তিন) হাজার 💰 টাকা পুঁজি নিয়ে ঝুঁকি বিহীন লাভজনক একটি ব্যবসা। নিজের মনে আত্ম বিশ্বাস আর প্ররিশ্রম করার মানসিকতা থাকলে। মাএ তিন হাজার 💰 টাকা পুঁজি নিয়ে আপনি শুরু করতে পারেন। ঝুঁকি বিহীন লাভজনক একটি নিজের স্বাধীন ব্যবসা। *ব্যবসাটি হলো ঔষধ দেওয়া খামের ব্যবসা* আপনারা যখন মেডিক্যাল সপ বা ঔষধের দোকানে  ওষুধ কেনেন তখন দেখে থাকবেন ঔষধ দোকানদার আপনাকে( ট্যাবলেট বা ক্যাপসুল) ওষুধ একটি সাদা কাগজের ঠোঙ্গা বা খামে ভরে সেই ট্যাবলেট বা ক্যাপসুল ওষুধ আপনার হাতে ধরিয়ে দেন। আজকের বিজনেস আইডিয়াটি হলো এই ওষুধ দেওয়া খামের ব্যবসা। এই ওষুধ দেওয়া খামের ব্যবসাটি আপনি দুই ভাবে করতে পারেন। ১। এই ওষুধ দেওয়া খাম পাইকারি বাজার থেকে কিনে। ২। এই ওষুধ দেওয়া খাম নিজে বাড়িতে বসে তৈরী করে। যদি আপনি পাইকারি বাজার থেকে এই খাম কিনে ব্যবসা করতে করতে👇  তাহলে কলকাতা বড়বাজার অঞ্চলে ওল্ড চিনে বাজারে এই খাম গুলি পাইকারি দামে কিনতে পারবেন। ওল্ড চিনেবাজার হলো কলকাতা বড়বাজার অঞ্চলে ট্রিপল পট্টির ঠিক উল্টো দিকে। কলকাতা বড়বাজারে ট্রিপলপট্টি গিয়ে কাউকে জিজ্ঞেস করলে আপনাকে ...