Skip to main content

* লকডাউনের পরে যে ভাবে ব্যাবসা করবেন *

করোনা এখন গোটা বিশ্বের কাছে ‌ভয়----
তাই ভয়ে আমি , ভয়ে আপনি-------
বাইরে বেরোলে কোরোনা , ঘরে পেটে ক্ষুদার যাতনা।
এই দোটানায় পড়ে ‌আপনি‌ এখন কি করবেন----?
সেটা ভাবার এখনি সঠিক সময়।
হয়তো আর কয়েকদিন পরে লকডাউন উঠে ‌যাবে।
কিন্তু করোনারি ভয় আরো কয়েক মাস , হয়তো বা 
কয়েক ‌বছর আমাদের তাড়া করে বেড়াবে-------
আর তার ফলে আমূল বদলে যাবে দেশের অর্থনীতি।
বদলে যাবে আমাদের দৈনন্দিন জীবনের সেই চেনা জানা‌
ছবিটা।
আর তাই আমাদের‌‌‌ জীবন---জীবিকার  বদল আনতে হবে।
কারন অর্থনিতির এই মন্দার প্রভাব পড়বে ‌কম বেশি আমাদের সবার জীবনে।
একদিকে যেমন কাজের বাজার কমে যাবে , অনেকেই হয়তো বা তার কাজ হারাবেন। কারোও হারিয়ে যাবে এতদিন
করে - কর্মে খাওয়া 🍞 রুটি - রুজির সেই চেনা জানা‌ রাস্তাটা।
তবুও এগিয়ে যাবে সময় , এগিয়ে চলবেজীবন।
আর এই জীবনটাকে সচল করে এগিয়ে রাখতে হলে----
এই লকডাউনের সময় ঘরে বসে আপনি আগামী দিনের পরিকল্পনা করেছেন তো-------?
আর যদি এখনো সেই পরিকল্পনা না করে থাকেন।
তাহলে এখুনি আপনার ‌আগামীদিনের পরিকল্পনা তৈরী করে ফেলুন।
তাতে করে লকডাউন উঠে গেলেই আপনি আপনার পরিকল্পনা মত কাজটি করতে ‌পারেন।
হয়তো বলবেন কি পরিকল্পনা করবো----?
হয়তো বলবেন কি করে পরিকল্পনা তৈরী করবো----?
এই নিয়ে আমি কয়েকটা ‌পরিকল্পনার কথা কয়েকটি 
পর্বে আপনাদের সামনে তুলে ধরার চেষ্টা করছি--------------।

      আজ পর্ব-----২
👉 যারা চায়ের দোকান চালান
আপনার একটি চায়ের দোকান আছে। সেই চায়ের দোকানের রোজকার থেকে আপনার সংসার চলে----?
তাহলে আপডেট করুন আপনার সেই চায়ের দোকানটি।
লকডাউনের উঠে গেলে এবার থেকে আপনি আপনার চায়ের দোকানে বসে কাউকে চা খেতে দেবেন না।
এর ফলে আপনার দোকানে এক কাপ চা খেয়ে , দোকানের
বেঞ্চ দখল করে রাখার লোক কমে যাবে ।
খদ্দের বেড়ে যাবে।
এবার থেকে আপনি আর কাঁচের গ্লাসে বা কাপে করে
কাউকে চা খেতে দেবেন না। এর পরিবর্তে মাটির খুড়ি বা
মাটির ভাঁড়ে আপনার খদ্দের কে চা খেতে দেবেন।
তবে প্লাসটিক গ্লাসে চা খেতে দেবেন না। মাটির খুড়ি না
পাওয়া গেলে কাগজের গ্লাস ব্যাবহার করতে পারেন।
এর ফলে আপনাকে আর চায়ের গ্লাস ধুতে হবে না।
তিন - চারটে বড়-বড় পাঞ্চ থার্মোফ্লাক্স কিনুন। এবং বিভিন্ন ধরনের চা তৈরি করে সেই থার্মোফ্লাক্সে ভরে রাখুন।
যেমন আদা চা , এলাচ চা , 🍋 লেবু চা , মশলা চা ইত্যাদি।
এই চা গুলি আপনি বড় চা পাতা বিক্রির দোকানে পেয়ে যাবেন।
সর্বদা মুখে মাস্ক পড়ে থাকবেন। ✋ হাতে গ্লাভস পরে থাকবেন। খদ্দের কে চা দেওয়ার সময় আপনি ✋ হাত 
হ্যান্ড স্যানিটাইজার দিয়ে ‌পরিস্কার করে নেবেন।
এবং আপনার খদ্দের কেও হ্যান্ড স্যানিটাইজার দিয়ে হাত
পরিস্কার করে নিতে বলবেন। এতে করে আপনার খদ্দের 
খুশি হবেন। আর ‌আপনার চায়ের দোকানটি অল্প কয়েক দিনের মধ্যেই জনপ্রিয়তা লাভ করবে।
আর এতে করে আপনার সাফল্য আসবে খুব তাড়াতাড়ি।
আপনি মানুন আর না মানুন আগামীদিনের ব্যাবসা এই
ভাবেই ‌করতে হবে।
আপনি যদি ‌ব্যাবসার এই মডেলটি না ‌ফলো করেন 
তাহলে হয়তো ভবিষ্যতে ‌আপনি ‌সবার থেকে পিছিয়ে
পড়তে‌ পারেন।
তাই লকডাউনের পরবর্তী সময়ের এই বাব্যসার মডেলটির কথা একটু ভেবে দেখবেন।
                               ইতি ---------সমীর✍️
****************************************************
বাড়িতে থাকুন , সুস্থ থাকুন------
আমার এই লেখাটি আপনার কেমন লেগেছে জানাবেন।
আপনার মূল্যবান মতামত এর আশায় রইলাম।
                             নমস্কার  🙏


Comments

Samirblogpost.com

" জীবন যুদ্ধে হার না মানা এক মেয়ের কথা "

জন্ম হয়েছিল তার এক অতি গরীব দিন আনে দিন খায় পরিপারে। বাবা লোকের জমিতে দিন মজুরের কাজ করে। তাই ছোট থেকে ভালো খাওয়া, ভালো জামা-কাপড় পড়া, ভালো কোন সখ-আহ্লাদ,কোন কিছুই ভালো পাইনি সে। তবে এতকিছু ভালো না পাওয়ার পরেও লেখা-পড়ায় ভালো ছিল সে।  কিন্তু গরিব বাবা তার পড়াশোনার খরচ চালাবে কি করে ? তাই মাধ্যমিক পরীক্ষার পর বিয়ে দিয়ে দিল তার। মেয়েটি ভেবেছিলো বাপের বাড়ীতে তার যা কিছু না-পাওয়া গুলো হয়তো সে তার শ্বশুড় বাড়িতে পেয়ে যাবে। কিন্তু বিধি বাম-------- বিয়ে হলো তার সেই দিন-আনে,দিন-খায় এরকম এক ছেলের সাথে। শুরু হলো তার এক নতুন জীবন কন্যা থেকে বধু , কুমারী জীবন থেকে বিবাহিত‌ জীবন । এরপর সময়ের নিয়মে তার সংসারে আলো‌ করে এলো এক নতুন অতিথি ফুলের মতো এক ফুট-ফুটে মেয়ে তার কন্যা সন্তান। জীবনে এই প্রথম না পাওয়ার  ব্যথা-যন্ত্রণা সব ভুলিয়ে দিল এক অনাবিল সুখ ও আনন্দ তাহলো মাতৃত্বের । কন্যা থেকে বধু  , জায়া থেকে মাতা , পরিপূন্য হলো জীবনের একটি বৃত্ত। এই ছোট্ট কন্যাকে নিয়ে ‌‌‌‌‌‌‌ছোট্ট - ছোট্ট সব সনালী স্বপ্নের জাল বুনতো শুরু করলো সে। কিন্তু নিয়তি ন্যঃ বাধ্যতে ------- এমন ...

* বাস্তব *

আজকের গল্প-----* বাস্তব *       রচনা---------সমীর ✍️ আমাদের পাশের গ্রামেই , প্রিয়ব্রত দের বাড়ি----- আমি আর প্রিয়ব্রত ছোটবেলা থেকে একসাথে লেখাপড়া করেছি। আমার মাথা মোটা তাই , লেখাপড়া বেশি দূর করতে পারিনি। টেনেটুনে কোনরকমে উচ্চ মাধ্যমিকটা পার হয়েছিলাম। প্রিয়ব্রতর  মাথা সরু , তাই শুরু থেকেই লেখাপড়ায় ও খুব ভালো ছিল। মাধ্যমিকে তিনটে লেটারসহ স্টার পেয়েছিল। ওদের বাড়ির অবস্থা খুব ভালো ছিল না। তাই মাধ্যমিকের পরেই। ওর বাবা প্রিয়ব্রতর পড়াশোনা বন্ধ করে দিতে চেয়েছিল। প্রিয়ব্রতর  পড়াশোনা বন্ধ হয়েই যেত----- যদি না সেই সময়ে কয়েকজন শিক্ষক মহাশয় ,ও পাড়ার কিছু সহৃদয় ব্যক্তি , সাহায্যের হাত না বাড়িয়ে দিতেন। এভাবেই প্রিয়ব্রত কোনরকমে , উচ্চমাধ্যমিকের লেখাপড়াটা চালিয়ে গিয়েছিল। এবং বলা বাহুল্য  , উচ্চমাধ্যমিকে সে খুব ভালো নাম্বার নিয়ে সে প্রথম বিভাগে উত্তীর্ণ হয়েছিল। কিন্তু এবার কলেজের পড়াশোনা , কিভাবে চালাবে সে---- তাই সে ঠিক করল। সকাল সন্ধ্যা টিউশনি পরিয়ে , সে তার কলেজের লেখাপড়ার খরচ চালাবে। সেই মতো সে  তার পড়াশোনার পাশাপাশি...

স্মল বিজনেস আইডিয়া পর্ব-১

স্মল বিজনেস আইডিয়া পর্ব-১ মাএ ৩০০০.০০(তিন) হাজার 💰 টাকা পুঁজি নিয়ে ঝুঁকি বিহীন লাভজনক একটি ব্যবসা। নিজের মনে আত্ম বিশ্বাস আর প্ররিশ্রম করার মানসিকতা থাকলে। মাএ তিন হাজার 💰 টাকা পুঁজি নিয়ে আপনি শুরু করতে পারেন। ঝুঁকি বিহীন লাভজনক একটি নিজের স্বাধীন ব্যবসা। *ব্যবসাটি হলো ঔষধ দেওয়া খামের ব্যবসা* আপনারা যখন মেডিক্যাল সপ বা ঔষধের দোকানে  ওষুধ কেনেন তখন দেখে থাকবেন ঔষধ দোকানদার আপনাকে( ট্যাবলেট বা ক্যাপসুল) ওষুধ একটি সাদা কাগজের ঠোঙ্গা বা খামে ভরে সেই ট্যাবলেট বা ক্যাপসুল ওষুধ আপনার হাতে ধরিয়ে দেন। আজকের বিজনেস আইডিয়াটি হলো এই ওষুধ দেওয়া খামের ব্যবসা। এই ওষুধ দেওয়া খামের ব্যবসাটি আপনি দুই ভাবে করতে পারেন। ১। এই ওষুধ দেওয়া খাম পাইকারি বাজার থেকে কিনে। ২। এই ওষুধ দেওয়া খাম নিজে বাড়িতে বসে তৈরী করে। যদি আপনি পাইকারি বাজার থেকে এই খাম কিনে ব্যবসা করতে করতে👇  তাহলে কলকাতা বড়বাজার অঞ্চলে ওল্ড চিনে বাজারে এই খাম গুলি পাইকারি দামে কিনতে পারবেন। ওল্ড চিনেবাজার হলো কলকাতা বড়বাজার অঞ্চলে ট্রিপল পট্টির ঠিক উল্টো দিকে। কলকাতা বড়বাজারে ট্রিপলপট্টি গিয়ে কাউকে জিজ্ঞেস করলে আপনাকে ...